১৯৯৬ সালে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি হিসেবে যোগদানের পর থেকে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এ হেড অব ম্যানুফ্যাকচারিং, সাপ্লাই চেইন ডিরেক্টর এবং কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্স ও লজিস্টিকস হেডের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বদানকারী পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত প্রায় তিন দশকে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের বড় ধরনের কারখানা সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল উদ্যোগগুলো সফলভাবে পরিচালনা করেছেন, যা ইউনিলিভার বাংলাদেশ-এর সাপ্লাই চেইনকে ইউনিলিভার-এর বিশ্বব্যাপী নেটওয়াকের্ অন্যতম মডেলে পরিণত করেছে।
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (আইআইটি) কানপুর থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকপ্রাপ্ত রুহুল কুদ্দুস খান তাঁর কাজে গাণিতিক সূক্ষ্মতা এবং মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য সমন্বয় ঘটিয়েছেন। ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যেখানে তিনি মাকের্ট-শেপিং ব্র্যান্ডগুলোর সেরা পারফরম্যান্স নিশ্চিত করছেন।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি ম্যানুফ্যাকচারিং, সাপ্লাই চেইন, লজিস্টিকস এবং এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশনে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে অপারেশনাল এক্সিলেন্স, উদ্ভাবন এবং প্রতিভা বিকাশের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা সাপ্লাই চেইন ফাংশনগুলোকে ডিজিটালভাবে সমন্বিত এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী গ্রোথ ইঞ্জিনে রূপান্তরিত করেছে। কোভিড-১৯ মহামারী, বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিতিশিলতা এবং আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জের মতো প্রতিকূল সময়েও তিনি কর্মীদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ব্যবসার ধারাবাহিকতা ও মাকের্ট লিডারশিপ নিশ্চিত করেছেন।
প্রবৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীলতা যে একসাথেই বিকশিত হওয়া উচিত- এই দর্শনে বিশ্বাসী রুহুল কুদ্দুস খান সাসটেইনেবিলিটিকে ব্যবসায়িক পারফরম্যান্সের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। ইউনিলিভারের 'গ্রোথ অ্যাকশন প্ল্যান (গ্যাপ) ২০৩০'-এর সাথে সংগতি রেখে ইউনিলিভার বাংলাদেশ-কে 'নেট জিরো' অপারেশনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি, যেখানে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির সমন্বয় ঘটানো হচ্ছে।
একজন প্যাশনেট মেন্টর এবং লাইফলং লার্নার হিসেবে রুহুল কুদ্দুস খান আগামী প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সবসময়ই কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং যত্নশীল কর্মপদ্ধতি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা, গতিশীলতা এবং উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে, যা ইউনিলিভার বাংলাদেশ-কে দেশের অন্যতম বিশ্বস্ত এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যারা সবার প্রতিদিনের জীবনকে উজ্জ্বল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
